আসতে বাধ্য করবে না ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস
ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)। কয়েক দিন আগে
বাংলাদেশ সফর করে যাওয়া ইসিবির প্রতিনিধিদল আজ
তাদের পর্যবেক্ষণ সম্পর্কে জানাবে
খেলোয়াড়দের। এটির ওপর অনেকটাই নির্ভর
করবে ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়দের বাংলাদেশে
আসা বা না-আসার সিদ্ধান্ত। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর
বাংলাদেশে এসে দুই টেস্ট ও তিন ওয়ানডের সিরিজ
খেলার কথা ইংল্যান্ড দলের।
সীমিত ওভারের ক্রিকেটের ইংল্যান্ড অধিনায়ক
এউইন মরগান কাল বলেছেন, ইসিবির ওপর তাদের
যথেষ্টই আস্থা আছে। ‘আমার মনে হয় না
কখনোই কাউকে নির্দিষ্ট একটা সফরে যাওয়ার জন্য
জোর করা হবে। আমার মনে হয় আমাদের
একসঙ্গে একটা দল হয়ে থাকাটা জরুরি। সঠিক সিদ্ধান্ত
নেওয়ার জন্য এমন কারও সঙ্গে কথা বলা উচিত,
যাদের ওপর আমাদের আস্থা আছে’—বিবিসি
রেডিওকে বলেছেন মরগান। তাঁর মতে, এর আগে
সব সময়ই এ রকম পরিস্থিতিতে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে
ইসিবি, সে জন্য কখনো দলকে বিপদে পড়তে
হয়নি। মরগানের বিশ্বাস, এবারও সে রকমই হবে।
নিরাপত্তার কারণে ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়দের
সফরে না যাওয়ার ঘটনা এর আগেও কয়েকবার
ঘটেছে। ২০০১ সালে ভারত সফর থেকে নাম
কাটিয়ে নিয়েছিলেন অ্যান্ডি ক্যাডিক ও রবার্ট ক্রফট।
হারারেতে খেলতে অস্বীকৃতি জানিয়ে তো
২০০৩ বিশ্বকাপে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ম্যাচটা
খেলেইনি ইংল্যান্ড। এবারও খেলোয়াড়দের
নিরাপত্তার দিকটাই আগে দেখা উচিত বলে মনে
করেন মরগান। রয়টার্স, বিটি স্পোর্ট।

0 মন্তব্য(গুলি):